Type Here to Get Search Results !

ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর একাদশ শ্রেণি সংস্কৃত | Brahman Choura Pishach Katha MCQ SAQ Class XI


ব্রাহ্মণচৌরপিশাচকথা সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর একাদশ শ্রেণি সংস্কৃত | Brahman Choura Pishach Katha MCQ SAQ Class XI




একাদশ শ্রেণির প্রথম পাঠ্য গল্প 'ব্রাহ্মনচৌরপিশাচকথা'। এই নীতিকথামূলক গল্পটি থেকে পরীক্ষার উপযোগী কিছু সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো----




নির্বাচন-ধর্মী প্রশ্ন


[] গল্পটির উৎস—বিষ্ণুশর্মা রচিত পঞ্চতন্ত্র।

[] পঞ্চতন্ত্রের কোন তন্ত্র থেকে নেওয়া হয়েছে?—তৃতীয় তন্ত্র। কাকোলূকীয় তন্ত্র।

[] ব্রাহ্মণের নাম—দ্রোণ

[] চোরের নাম—ক্রূরকর্মা

[] রাক্ষসের নাম—সত্যবচন

[] গল্পের চরিত্র সংখ্যা—তিনটি

[] ব্রাহ্মণ কীরকম ছিলেন?
উ—দরিদ্র।

[] ব্রাহ্মণকে যজমান কী দান করেছিল?
উ—দুটি বাছুর।

[] শ্মশ্রূ শব্দের অর্থ কী?
উ—দাড়ি।

[] গোযুগমিদমপহরিষ্যমি—একথা কে বলেছিল?
উ—চোর, গোরু অপহরণের কথা ভেবেছিল।

[] চোর কী চুরি করতে চেয়েছিল?
উ—ব্রাহ্মণের গোরুদুটিকে।

[] পথ মধ্যে চোরের সঙ্গে কার দেখা হয়েছিল?
উ—এক ব্রহ্মরাক্ষসের।

[] ব্রহ্মরাক্ষসের দেখতে কেমন ছিল?

উ—চুলদাড়ি—পিঙ্গলবর্ণ / দাঁত—তীক্ষ্ণ, ধারালো / চোখ—লাল টকটকে / নত শরীর, ফুলে ওঠা শিরা।

[] কো ভবান্‌—কে এই কথা বলেছিল?
উ—চোর।

[] চোর কাকে দেখে ভয় পেয়েছিল?
উ—ব্রহ্মরাক্ষসকে দেখে।

[] প্রথমে কার্যসিদ্ধি করতে চেয়েছিল কে?
উ--চোর

[] “এককার্যাবেবাবাম্‌”—এ কথাটি কে বলেছিল?
উ—ব্রহ্মরাক্ষস।

[] “এককার্যাবেবাবাম্‌”—কাকে উদ্দেশ্যে করে একথা বলা হয়েছে?
উ—চোরকে।

[] “ভদ্র! নৈষ ন্যায়”—কে কাকে উদ্দেশ্য করে একথা বলেছে?
উ—চোর, ব্রহ্মরাক্ষসকে উদ্দেশ্য করে একথা বলেছে।

[] চোর ব্রহ্মরাক্ষসকে কোথায় দেখতে পেয়েছিল?
উ—মাঝপথে।

[] চোর ও রাক্ষস কখন ব্রাহ্মণের গৃহে উপস্থিত হয়েছিল?
উ—ব্রাহ্মণ যখন ঘুমিয়ে পড়ে।

[] ব্রাহ্মণ কীসের শব্দে জেগে উঠেছিল?
উ—চোর ও ব্রহ্মরাক্ষসের ঝগড়ায়।

[] ব্রাহ্মণ রাক্ষসের হাত থেকে কীভাবে রক্ষা পেয়েছিল?
উ—ইষ্টদেবতাকে স্মরণ করে।

[] ব্রাহ্মণ চোরের হাত থেকে কীভাবে রক্ষা পেয়েছিল?
উ—লাঠির সাহায্যে।

[] ‘অনুকম্পয়া’ শব্দের অর্থ কী?
উ—করুণাবশত।

[] ‘গোযুগম্‌’ কথার অর্থ কী?
উ—গোরুদুটি।

[] কে বন্ধনপাশ নিয়ে যাচ্ছিল?
উ—চোর।

[] কে কাকে দেখে তীব্র ভয় পেয়েছিল?
উ—চোর, ব্রহ্মরাক্ষসের বীভৎস রূপ দেখে।

[] ‘প্রবিরলতীক্ষ্ণদন্তপঙ্‌ক্তি’ কথাটি কার সম্পর্কে বলা হয়েছে?
উ—সত্যবচন সম্পর্কে।

[] কার সম্পর্কে বলা হয়েছে ‘প্ররূঢ়কেশশ্মশ্রূনখরোমোপচিতঃ’?
উ—ব্রাহ্মণ সম্পর্কে।

[] ‘ভদ্র! ষষ্ঠাহ্নকালিকোহহম্‌’—এ কথা কে বলেছিল?
উ—ব্রহ্মরাক্ষস।

[] ‘কালমান্বেষয়ন্তৌ স্থিতৌ’—কারা অপেক্ষা করছিল?
উ—ব্রহ্মরাক্ষস ও চোর।

[] গোরুর শব্দে ব্রাহ্মণের ঘুম ভাঙার আশঙ্কা করেছিল কে?
উ—ব্রহ্মরাক্ষস।

[] ‘প্রতিগ্রহধনঃ’ পদের অর্থ কী?
উ—ভিক্ষাধন।

[] গল্পে চরিত্রের সংখ্যা কত?
উ—তিন।

[] ‘পঞ্চতন্ত্রম্‌’এ কয়টি তন্ত্র আছে?
উ—পাঁচটি।

[] ‘তন্ত্র’ শব্দের অর্থ কী?
উ—প্রসঙ্গ।

[] ব্রাহ্মণ কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করতো?
উ—পরের দান গ্রহণ করে।

[] ‘কাকোলূকীয়’ শব্দের ‘উলূক’ বলতে বোঝায়?
উ—প্যাঁচা।

[] ব্রহ্মরাক্ষস কখন ভোজন করে?
উ—রাত্রে।

[] ব্রহ্মরাক্ষসের গাল কীরূপ ছিল?
উ—শুষ্ক অর্থাৎ শুকনো।

[]তাম্বুল কথার অর্থ কী?
উ—পান।





শব্দার্থ—


দত্তম্‌—দেওয়া হয়েছিল

বালভাবাৎ--বাল্যকাল থেকে

যবসঃ—ঘাস

অর্ধমার্গ—মাঝপথ

কপোল—গাল

উপচিত—ফুলে ওঠা, প্রকাশিত হওয়া

অব্রবীৎ--বলল

ত্রস্ত—তীত

বুধ্যেত—জেগে যাওয়া

অন্তরায়—বাধা

দ্বৈধ—বিরোধ

জজাগর—জেগে ওঠা

উদ্‌গূর্ণ—উত্তোলিত

লগুড়—লাঠি

ররক্ষ—রক্ষা করল





সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর



প্র—চোর আগে চুরি করতে চেয়েছিল কেন?

উ—চোর আগে চুরি করতে চেয়েছিল কারণ, যদি ভক্ষণের উদ্দেশ্যে ধাবমান ব্রহ্মরাক্ষসের কোনো বাধা-বিঘ্ন উপস্থিত হয়, তবে সে গোরু চুরি করতে পারবে না।

প্র—ব্রহ্মরাক্ষসের অভিপ্রায় কী ছিল?

উ—ব্রহ্মরাক্ষসের অভিপ্রায় ছিল ব্রাহ্মণকে ভক্ষণ করা, কারণ সে কেবল রাত্রিবেলা আহার করে।

প্র—এই গল্পে নীতিকথা কী?

উ—শত্রুরা নিজেদের মধ্যে বিবাদ করলে তৃতীয় জনের হিতসাধন হয়।

প্র—ব্রাহ্মণ কীভাবে জেগে উঠেছিল?

উ—চোর ও রাক্ষস উভয়ের মধ্যে বিবাদ শুরু হলে, তাদের বিবাদের শব্দে ব্রাহ্মণ জেগে উঠেছিল।

প্র—ব্রাহ্মণের শারীরিক অবস্থার পরিচয় দাও।

উ—দ্রোণ নামক হতদরিদ্র ব্রাহ্মণ ছিল দীর্ঘ কেশ-নখ-দাড়ি সর্বস্ব এক বেখাপ্পা চেহারার মানূষ।

প্র—ব্রাহ্মণের আর্থিক অবস্থার কথা লেখ।

উ—ব্রাহ্মণের আর্থিক অবস্থা ছিল খুবই করুণ, কারণ সে যজমানের দান গ্রহণ করে জীবন-যাপন করত।

প্র—ব্রহ্মরাক্ষসের পরিচয় দাও।

উ—ব্রহ্মরাক্ষসের ছিল তীক্ষ্ণ দাঁতের সারি, উঁচু নাক, রক্তবর্ণ চোখ, শুষ্ক মুখ, চুলদাড়ি পিঙ্গলবর্ণ, শরীরে ফুলে ওঠা শিরাধমনী।



প্র—চোর কেন শঙ্কিত হয়েছিল?

উ—ব্রাহ্মণের গোরু চুরি করতে এসে চোর পথমধ্যে ভয়ংকর ভয়ালদর্শন ব্রহ্মরাক্ষসকে দেখে ভীত হয়েছিল।

প্র—সত্যবচন ও ক্রূরকর্মা কে?

উ—ভয়ংকর রূপের ব্রহ্মরাক্ষস হলো সত্যবচন এবং চোরের নাম ছিল ক্রূরকর্মা যে ব্রাহ্মণের গোরু চুরি করতে চেয়েছিল।

প্র—ব্রহ্মরাক্ষসের অভিপ্রায় কী ছিল?

উ—ব্রাহ্মণ রাতে ঘুমিয়ে পড়লে ব্রহ্মরাক্ষস ব্রাহ্মণকে ভক্ষণ করবে—এটা ব্রহ্মরাক্ষসের অভিপ্রায় ছিল।

প্র—ব্রহ্মরাক্ষস চুরির আগে ব্রাহ্মণকে খেতে চেয়েছিল কেন?

উ—চুরি করার সময় কোনোভাবে যদি গোরু ডেকে ওঠে তবে ব্রাহ্মণের ঘুম ভেঙে যাবে এবং তার ভক্ষণে বাধা পড়বে—এই কারণে ব্রহ্মরাক্ষস আগে খেতে চেয়েছিল।

প্র—রাক্ষস আর চোরের বিবাদের পরিণতি কী হয়েছিল?

উ—ইষ্টদেবতার মন্ত্র উচ্চারণ করে ব্রাহ্মণ রাক্ষসের হাত থেকে নিজেকে এবং লাঠি ব্যবহার করে চোরের থেকে গোরুদুটি রক্ষা করেছিল।

প্র—ব্রাহ্মণ কীভাবে বাছুর প্রতিপালন করেছিল? বা, কীভাবে গরুদুটি হৃষ্টপুষ্ট হয়েছিল?

উ—বাছুরদুটিকে ছোটোবেলা থেকে ভিক্ষায় উপার্জিত ঘি, তেল, যব ইত্যাদি খাইয়ে তাদেরকে হৃষ্টপুষ্ট করে তুলেছিল।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.